Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ২০ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টঙ্গীবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার বাণিজ্যের অভিযোগ, ফসলি জমি ভরাটে বাড়ছে পরিবেশ ও নদীভাঙনের শঙ্কা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
জুলাই ২০, ২০২৬ ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে নদী-খাল থেকে বালু উত্তোলন এবং ফসলি জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এতে একদিকে আবাদযোগ্য জমি কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া (কে-শিমুলিয়া) ইউনিয়ন ও যশলং ইউনিয়নের সামনের খালে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পিন্টু নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এছাড়া পুরা বাজার, বাঘিয়া এবং টঙ্গীবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের পাশসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও কৃষিজমি ভরাটের কাজ চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্টদের কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। এরপরও একটি প্রভাবশালী চক্র প্রকাশ্যে ড্রেজার ব্যবহার করে কৃষিজমি ভরাট ও বালু ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সোনারং এলাকায় শাহজাহান নামে এক ব্যক্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সামনের একটি স্থানে ড্রেজারের মাধ্যমে ফসলি জমি ভরাট করছেন। এছাড়া পুরা বাজার ও আশপাশের এলাকায় নয়াদ্দার আনোয়ার, রানা, যশলং এলাকার সবুজ, দরজারপাড়ের মো. আসা, মো. ভুট্টু ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন ড্রেজার ব্যবহার করে কৃষিজমি ভরাটের সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, ড্রেজার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা দাবি করেন যে তারা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরকে ‘ম্যানেজ’ করেই এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে এ দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, যে জমিতে একসময় ধান, পাট ও বিভিন্ন মৌসুমি ফসল উৎপাদিত হতো, সেখানে এখন বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পিন্টু মুঠোফোনে বলেন, “সামনে আসেন, কথা বলি।” তবে অবৈধ ড্রেজার পরিচালনার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। খোঁজখবর নিয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে এলাকাবাসী অবৈধ ড্রেজার বাণিজ্য, কৃষিজমি ভরাট ও অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ফসলি জমি সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নদী-খাল সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।