নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
‘গৌরবের জুলাই-২০২৪’ উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা, জুলাই আন্দোলনে আহত, নিহত ও গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি। প্রধান আলোচক ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার, জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া এবং পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দীন।
এমপি রনির সহধর্মিণী তাপসী তন্ময় চৌধুরী তমার সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে আহত, নিহত ও গুমের শিকার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব বলেও তারা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা মীর হালিমুজ্জান ননী, ড. অ্যাডভোকেট শহীদুজ্জামান, আহাম্মদ আলী রুশদী, অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান এলিস, সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন, জয়নাল আবেদীন তালুকদার, গাজী সালাউদ্দিন, সাইফুল ইসলাম টুটুল, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মাহমুদ হাসান রাজু, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রোহানুজ্জামান শুক্কুর, মহানগর জিয়া পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম দেলোয়ার, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারহাজ বিন ফয়েজ প্রবাল, ইমরান রেজা, সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক মো. নাজমুল খন্দকার সুমন, সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান বেলায়েতসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী আয়োজনে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন মিছিল-সমাবেশের ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। পাশাপাশি আহত, নিহত ও গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান, পুতুলনাচসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠির শেষে অংশগ্রহণকারীরা জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

