Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ২২ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দৌলতপুরে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল গায়েবের অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে, অস্বীকার পুলিশের

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
জুলাই ২২, ২০২৬ ৫:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ফিরোজের বিরুদ্ধে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের পর তা জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করে গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে মাদক বহনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গত ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধর্মদহ এলাকা থেকে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি অন্যত্র যাওয়ার সময় গরুড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ফিরোজের নেতৃত্বাধীন টহল দলের মুখোমুখি হন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ফেনসিডিলের বস্তা ফেলে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের আটক করে মারধর করা হয়। পরে মামলা না দেওয়ার শর্তে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, উদ্ধার করা ফেনসিডিল থানায় জব্দ দেখানো হয়নি এবং এ ঘটনায় কোনো মামলাও দায়ের করা হয়নি।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, উদ্ধার হওয়া ৪০০ বোতল ফেনসিডিল ধর্মদহ এলাকার জাহাঙ্গীর (৪৫) নামে এক ব্যক্তির, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, দাবি করেন যে আটজন মাদক বহনকারীকে আটক করে পরে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং উদ্ধার করা ফেনসিডিল পুলিশ নিয়ে যায়।

এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচারে অর্থের বিনিময়ে সহযোগিতা করা হয়। তবে এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ফিরোজ বলেন, “ওই দিন কোনো মাদক উদ্ধার করিনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।