Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৩ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজীপুরে আবাসিক হোটেলে গৃহবধূ হত্যা: একদিনেই রহস্য উদঘাটন, স্বামী পরিচয়দানকারী ব্যক্তি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
জুলাই ২৩, ২০২৬ ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তার একটি আবাসিক হোটেলে গৃহবধূ মোসা. শান্তা বেগম (৩৩) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় স্বামী পরিচয়দানকারী মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পিবিআই সূত্রে জানা যায়, নিহত শান্তা বেগম নাটোর সদর উপজেলার চরলক্ষীকোল গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আহমেদনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তিনি দুই সন্তানের জননী।

তদন্তে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই দুপুরে শান্তা বেগম ও তার তৃতীয় স্বামী পরিচয়দানকারী সাইফুল ইসলাম চান্দনা চৌরাস্তার ‘ইভ্যালি’ আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। ওই রাতেই হোটেল কক্ষ থেকে গলা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নসহ শান্তার মরদেহ উদ্ধার করে বাসন থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে বাসন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই গাজীপুর জেলা। পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারীর নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়।

পিবিআই জানায়, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে ঘটনার একদিনের মাথায় ঢাকার দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সাইফুল ইসলামের সঙ্গে শান্তা বেগমের দাম্পত্য সম্পর্কে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ ও পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন হোটেল কক্ষে অতীতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির একপর্যায়ে শান্তার ব্যাগে থাকা ফল কাটার ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন সাইফুল। পরে বুকে একাধিক আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মোবাইল ফোন ও পরিচয়পত্র নিয়ে পালিয়ে যান।

পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ক্রাইম সিন ইউনিট ও পৃথক তদন্ত দল কাজ শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আদালতে হাজির করার পর আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।