Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কোচিং সেন্টারের ভুল রুটিনে সর্বনাশ, এইচএসসি পরীক্ষা মিস করল গোয়ালন্দের শিক্ষার্থী

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
জুলাই ২৭, ২০২৬ ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর একটি কোচিং সেন্টারের প্রকাশিত ভুল এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন অনুসরণ করে অর্থনীতি প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিতে না পেরে চরম বিপাকে পড়েছেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার এক পরীক্ষার্থী। এ ঘটনায় তার শিক্ষা জীবন থেকে আরও একটি বছর পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী আবির হাসান রুদ্র সরকারি গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের জমাদ্দার ডাঙ্গি এলাকার আইজদ্দিন জমাদ্দারের ছেলে।

জানা গেছে, আবির ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত এইচএসসি পরীক্ষায় আইসিটি ও অর্থনীতি বিষয়ে অকৃতকার্য হন। অন্য বিষয়গুলোতে তার জিপিএ ছিল ৪.০৭। চলতি বছর তিনি শুধুমাত্র ওই দুই বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।

পরিবারের দাবি, আবির অনলাইনে নরসিংদীর বালুচর এলাকার ‘অল রাইট একাডেমি’ প্রকাশিত একটি পরীক্ষার রুটিন সংগ্রহ করেন। ওই রুটিনে অর্থনীতি প্রথম পত্রের পরীক্ষার তারিখ ২৫ জুলাই এবং দ্বিতীয় পত্রের তারিখ ২৯ জুলাই উল্লেখ ছিল। অথচ বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত মূল রুটিন অনুযায়ী অর্থনীতি প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২৩ জুলাই এবং দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ২৫ জুলাই।

ভুল রুটিন অনুসরণ করে আবির ২৫ জুলাই অর্থনীতি প্রথম পত্রের প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে গেলে জানতে পারেন, সেদিন অনুষ্ঠিত হচ্ছে অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। তখনই তিনি জানতে পারেন, প্রথম পত্রের পরীক্ষা দুই দিন আগেই শেষ হয়ে গেছে। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

আবিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার মা রুবি বেগম বলেন, “আমার ছেলে খারাপ ছাত্র নয়। এসএসসিতে জিপিএ-৪.৮৯ পেয়েছিল। কিছু সমস্যার কারণে প্রথমবার এইচএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করেছিল। এবার তার ভালো প্রস্তুতি ছিল। আইসিটি পরীক্ষাও ভালো দিয়েছে। কিন্তু কোচিং সেন্টারের ভুল রুটিন এবং আমাদের অসতর্কতার কারণে তার জীবন থেকে আরও একটি বছর নষ্ট হয়ে গেল। আমরা তাকে সান্ত্বনা দিয়েছি, আগামীতে আবার পরীক্ষা দেবে।”

গোয়ালন্দ রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব আব্দুল কাদের শেখ বলেন, “পরীক্ষার্থীদের সবসময় শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত অফিসিয়াল রুটিন অনুসরণ করা উচিত। ইউটিউব, ফেসবুক বা কোচিং সেন্টারের রুটিনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। ভুল রুটিন অনুসরণ করায় শিক্ষার্থীটি একটি মূল্যবান বছর হারানোর মুখে পড়েছে।”

এ বিষয়ে অল রাইট একাডেমির পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, “রুটিনটি আমরা এআইয়ের মাধ্যমে প্রস্তুত করে ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলাম। তখন ভুলটি আমাদের কারও নজরে আসেনি। অর্থনীতি পরীক্ষা হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি ধরা পড়ে। অনাকাঙ্ক্ষিত এ ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও লজ্জিত।”

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত অফিসিয়াল রুটিন অনুসরণ করা উচিত।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।