আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সড়কের পাশের গাছ অবৈধভাবে কাটার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ হওয়ার ১৩ দিন পর ফের একটি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের গুপ্তেরহাট-কুমারভাঙ্গা সড়কের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের অংশে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কাটা গাছ জব্দ করতে বন বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিরুপম মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই সড়কের পাশের কয়েকটি গাছ কাটার খবর পেয়ে ইউএনওর নির্দেশে গাছ কাটা বন্ধ করা হয়। এর আগে দুটি বড় চাম্বল গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল বলে স্থানীয়রা জানান। পরে বাকি একটি রেন্ট্রি গাছও শনিবার কেটে ফেলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের পাশে থাকা গাছগুলোর মধ্যে দুটি বড় চাম্বল গাছ আগে কেটে ফেলা হয়েছে। পরে একটি রেন্ট্রি গাছও কেটে ফেলার চিহ্ন দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উত্তর শিহিপাশা গ্রামের জলিল বয়াতী সড়কের পাশের কয়েকটি গাছ স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহরাব সিকদারের কাছে বিক্রি করেন। শনিবার সকালে সোহরাব সিকদার শ্রমিক নিয়ে সেখানে গিয়ে একটি বড় রেন্ট্রি গাছ কেটে ফেলেন। বিষয়টি স্থানীয়রা ইউএনওকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক বন বিভাগের মাধ্যমে কাটা গাছ জব্দের নির্দেশ দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারি বা সড়কের জায়গার গাছ কাটার বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিরুপম মজুমদার বলেন, “আমি এর আগে বন বিভাগের মাধ্যমে গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলাম। আবার শুনলাম ১৩ দিন পর সেই গাছ কেটে ফেলেছে। আমি বন বিভাগের মাধ্যমে কাটা গাছ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছি।”
এ ঘটনায় গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা বন বিভাগের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।

