আশরাফুজ্জামান, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল ও অনিয়মের অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট দাবি করেছেন গাইবান্ধা জেলা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম আজম। পেশাগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী এলাকায় নিজস্ব চেম্বারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন অ্যাডভোকেট গোলাম আজম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি গাইবান্ধা জেলা জজ আদালতে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। সম্প্রতি মহেশপুর গ্রামের আসাদুজ্জামানের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন।
অ্যাডভোকেট গোলাম আজম বলেন, সংশ্লিষ্ট আদালত প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করেই মামলার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। কথিত ঘটনার বিষয়ে আদালত থেকে তাকে কখনো কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি বা তলব করা হয়নি। তাই তার বিরুদ্ধে চালানো অপপ্রচারের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
এফিডেভিটে স্বাক্ষরের বিষয়ে তিনি বলেন, “সম্পাদিত এফিডেভিটে আমি কেবল একজন ‘সনাক্তকারী’ হিসেবে সরল বিশ্বাসে স্বাক্ষর করেছি। পরবর্তীতে আদালত আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। সনাক্তকারী হিসেবে স্বাক্ষর করা ছাড়া এফিডেভিটের বক্তব্য বা পরবর্তী কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা ছিল না।”
তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছেন। তদন্তে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
একই সঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার পেশাগত ও সামাজিক সম্মানহানি করার চেষ্টা করা হলে এর বিরুদ্ধেও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান অ্যাডভোকেট গোলাম আজম।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি আইন ও আদালতের প্রতি নিজের পূর্ণ শ্রদ্ধার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষভাবে সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ জানান।

