যশোর প্রতিনিধি
যশোর শহরে ফাতেমা বেগম ওরফে ফতে (৩০) নামে এক নারীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডে জামাল মোল্লার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফাতেমা যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা ও মনিরুল ওই বাড়িতে ভাড়া থাকেন। ফাতেমা মনিরুলের তৃতীয় স্ত্রী। তাঁদের তিনটি সন্তান রয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাঁরা ওই বাড়িতে ওঠেন। ফাতেমা স্থানীয় একটি হোটেলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন, আর মনিরুল রিকশা চালান।
ওই বাড়ির আরেক ভাড়াটিয়া লাবনী আক্তার জানান, ফাতেমার উপার্জনের টাকা মনিরুল জোর করে নিয়ে নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। শনিবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে ফাতেমা বাড়িতে ফেরার পর সাংসারিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে ফাতেমাকে মারধর করা হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁর চিৎকার শুনে সেখানে গিয়ে দরজা বন্ধ দেখতে পান লাবনী। পরে দরজা খুলে ফাতেমাকে মেঝেতে পড়ে থাকতে এবং তাঁর গলা দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখেন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় মনিরুল পালিয়ে যান।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাজিব রায় জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ওই নারীর গলা থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাঁকে অস্ত্রোপচারের জন্য পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, “বিষয়টি জানা নেই। এখনই খোঁজ নিচ্ছি।”

