Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ২৩ জুলাই ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নওগাঁয় জাল সনদে ১৮ বছর শিক্ষকতা, তদন্তের মুখে আ’লীগ নেতার স্ত্রী

নওগাঁ প্রতিনিধি
জুলাই ২৩, ২০২৫ ১:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলা বিজলী বিএল উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক ফাতেমা বেগমের বিরুদ্ধে জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে ১৮ বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ভুয়া সনদে নিয়োগ নিয়ে এ পর্যন্ত সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন।

ফাতেমা বেগম বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু খালেদ বুলুর স্ত্রী। অভিযোগ উঠেছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় তিনি বছরের পর বছর এই প্রতারণা চালিয়ে গেছেন।

এই ঘটনায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সবুজ হোসেন নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে জেলা শিক্ষা কার্যালয়।

জানা যায়, ফাতেমা বেগম ২০০৬ সালে পাস করা একটি শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে ২০০৮ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। কিন্তু ওই সনদের রোল নম্বর (২১০১০১১৭) এবং নিবন্ধন নম্বর (৬১০৪২২৮) এনটিআরসিএ-এর ওয়েবসাইটে যাচাই করতে গেলে কোনো প্রার্থীর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না। কেবল সনদের তথ্য দৃশ্যমান হয়, যা কর্তৃপক্ষের সন্দেহ বাড়িয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ফাতেমা বেগম ২০২০ সাল থেকে উচ্চতর স্কেলে বেতন নিচ্ছেন, যার জন্য সঠিক ও বৈধ সনদ থাকা আবশ্যক। অথচ তার সনদে আবশ্যিক বিষয়ে নম্বর ৪৩ এবং ঐচ্ছিক বিষয়ে ৪০, যা পাস নম্বরের চেয়েও কম হতে পারে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে ফাতেমা বেগম বলেন, “আপনাকে আমি কোনো তথ্য দেবো না। আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চাইলে তাদের কাছে দেবো।”

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পার্থ কুমার মন্ডল বলেন, “আমার জানামতে তার সনদের কোনো সমস্যা নেই।” তবে তার কাছে সনদের কপি বা প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে সনদসহ যাবতীয় নথি জমা দিতে বলা হয়েছে। যাচাইয়ে যদি প্রমাণ হয় যে সনদটি জাল, তাহলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়ভাবে এ ঘটনা নিয়ে শিক্ষাঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে বলছেন, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এভাবে বছরের পর বছর জাল সনদে চাকরি করে যাওয়া শুধু দুর্নীতি নয়, শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অবমাননাও।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।