যশোর জেলা প্রতিনিধি
যশোরে বর্ষা মৌসুমে শাপলার বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেকে। শাপলা দিয়ে মাছ রান্না কিংবা ভাজি করে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে বিলঝিলে জন্মানো শাপলা আঁশ ছাড়িয়ে সবজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
মনোহরপুরসহ ভবদহ এলাকার অনেক কৃষিজমি বর্ষায় পানির নিচে থাকায় কৃষকরা বিকল্প পেশা হিসেবে শাপলা সংগ্রহ ও বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন। এতে কোনো পুঁজি লাগে না। একজন শাপলা সংগ্রহকারী প্রতিদিন ২০০–২৫০ মুঠো পর্যন্ত তুলতে পারেন। শাপলা সংগ্রহ করে পাইকারদের কাছে বিক্রি করে জীবিকা চালাচ্ছেন অনেকে।
বটিয়াঘাটার নূর ইসলাম জানান, তিনি এক মুঠো শাপলা ১৪–১৫ টাকায় কিনে গ্রামে ঘুরে ২০–২৫ টাকায় বিক্রি করেন। দিনে আয় হয় প্রায় ৪০০–৮০০ টাকা।
আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত শাপলার ভরা মৌসুম। আলিপুরের অজিত রায় প্রতিদিন ১,৫০০–২,০০০ মুঠো শাপলা কিনে বাজারে বিক্রি করেন।
বাজারে সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় শাপলা এখন তুলনামূলক সস্তা সবজি হিসেবে ক্রেতাদের আগ্রহ পাচ্ছে। বর্ষার এই সময়ে মনোহরপুর ও আশপাশের গ্রামে শাপলা বিক্রির চিত্র এক ভিন্ন অর্থনীতির গল্প বল

