Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ২৯ আগস্ট ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তেরখাদায় বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে স/ন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অ’ভিযোগ,কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি

খুলনা জেলা প্রতিনিধি
আগস্ট ২৯, ২০২৫ ৭:৫০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

খুলনা জেলা প্রতিনিধি

খুলনার তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়নে ওয়ার্ডভিত্তিক সদস্য যাচাই-বাছাই সভাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই নেতার মধ্যে সংঘর্ষ এবং এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দলীয় প্যাডে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এস.এম. ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ আগস্ট ছাগলাদাহ ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত সভায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইমদাদুল হক এবং প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মল্লিক আব্দুস সালাম। সভার একপর্যায়ে ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত আচরণে লিপ্ত হয় এবং বিএনপি ছাগলাদাহ ইউনিয়ন সার্চ কমিটির সদস্য কে.এম. রাকিবুল ইসলাম টিটোর ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

ঘটনার পরপরই কে.এম. রাকিবুল ইসলাম টিটো উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন এবং স্থানীয় থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। তিনি অভিযোগ করেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পরও আজ আমি দলীয় ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি। ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে আমার ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

ঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা বিএনপি সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি এস.এম. ইমদাদুল হকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে। নোটিশে বলা হয়, তাঁর কর্মকাণ্ড দলীয় ভাবমূর্তি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী। সাত কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নোটিশে স্বাক্ষর করেন উপজেলা বিএনপি’র প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক চৌধুরী কওছার আলী, সদস্য চৌধুরী ফখরুল ইসলাম (বুলু) ও এফ.এম. হাবিবুর রহমান।

তবে ইমদাদুল হক এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, “রাকিবুল মূলত আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ। তিনি বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছিলেন। সভায় মারধরের ঘটনা ঘটেনি, কেবল কয়েকজন যুবকের সঙ্গে কথাকাটাকাটির পর হালকা ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল।

এ বিষয়ে তেরখাদা থানার ডিউটি অফিসার এসআই রুবাইয়া আক্তার জানান, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং সহিংসতা আবারও দলীয় শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।