তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ১৪ বছর বয়সী মারিয়া তুন নিশি, তালা কে এম মডেল হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী, তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন চলছিল সোমবার, ১৩ অক্টোবর।
ঘটনার দিন দুপুরে মেয়েটির বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি চলছিল। জানা গেছে, মেয়ে পক্ষের ঘটক হিসেবে ছিলেন জেঠুয়া জাগরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম এবং ছেলে পক্ষের ঘটক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী ওসমান আলী।
দুপুরের ভোজনপর্ব শেষে যখন আত্মীয়স্বজনরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে উদ্যত, ঠিক তখনই উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হন। তারা মেয়ের বাবা ফেরদৌস সরদার মঞ্জু, মা স্বপ্না দাস এবং ফুফা হাসান ইমামের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে বন্ধ করে দেন। এ সময় ঘটকসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন আত্মীয় সেখান থেকে গা ঢাকা দেন।
এ বিষয়ে তালা কে এম মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক গাজী জাহিদুর রহমান জানান, “আমি বিষয়টি জানার পরই প্রশাসনকে অবহিত করি।”
সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিয়ে বন্ধ করেছি। ভবিষ্যতে পুনরায় এমন চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

