Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১০ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নোয়াখালীতে এসিল্যান্ড-তহশিলদারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

নোয়াখালী প্রতিনিধি
মে ১০, ২০২৬ ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় খতিয়ান সংশোধন ও নামজারি সংক্রান্ত কাজে ঘুষ দাবি, দলিলের তফসিল জালিয়াতি এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড) রুবাইয়া বিনতে কাসেম ও বসুরহাট পৌর ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. সাইফুল ইসলামসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ২৮ এপ্রিল নোয়াখালীর সিনিয়র স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর হাজারী গ্রামের মৃত আবদুর রবের ছেলে মো. আরিফুর রহমান।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির হারাধন চন্দ্র পাল, সাবেক সার্ভেয়ার মোস্তফা কামাল, সেটেলমেন্ট অফিসের সাবেক সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা রাখাল চন্দ্র দাস, বেঞ্চ সহকারী আবুল কাসেম, সার্ভেয়ার উত্তম কুমার দাস, দলিল লেখক সাইফুল ইসলাম ও জনৈক ওবায়দুল হক।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেওয়ানী মামলা নং ১৫৩/২০২৩-এর রায় ও ডিক্রির ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ১৮ মে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর ১৪৩ ধারায় খতিয়ান সংশোধনের আবেদন করেন আরিফুর রহমান। এ প্রেক্ষিতে তহশিলদার সাইফুল ইসলাম শুনানি ও দখল তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৪ জুলাই প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে সার্ভেয়ার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১২ মারা পৃথক খতিয়ান সৃজনের সুপারিশ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, তদন্তে সব কিছু অনুকূলে পাওয়ার পরও তহশিলদার দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। স্থানীয় তিনজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তাকে এক লাখ টাকা দেওয়া হয় এবং বাকি এক লাখ টাকা কাজ শেষে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বাকি টাকা না দেওয়ায় একই মামলায় পুনরায় শুনানির মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা হয়।

আরও অভিযোগ করা হয়, একই ব্যক্তির নামে গোপনে পৃথক আরেকটি ই-নামজারির আবেদন করে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ এসিল্যান্ড সেটি নামঞ্জুর করেন। বাদীর দাবি, মালিকানার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে আবেদন বাতিল করা হয়।

আরিফুর রহমান অভিযোগ করেন, রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা ছানি মামলা আছে কিনা তা জানতে আদালতে সাতবার চেকিং করা হলেও কিছু পাওয়া যায়নি। এরপরও এসিল্যান্ডের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয় এবং বাকি এক লাখ টাকা দিলে অনুকূলে সিদ্ধান্ত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘুষের বাকি টাকা না দেওয়ায় তার ডিক্রিকৃত জমির তফসিল জাল করে অন্য এক ব্যক্তির নামে জমাখারিজ খতিয়ান সৃজন করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি নথি গায়েব, আদালতের তলব উপেক্ষা, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে নামজারি এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির মতো অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আরিফুর রহমান বলেন, “মামলা দায়েরের পর থেকে আমাকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। মামলা না তুললে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে, সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস, বসুরহাট পৌর ভূমি অফিস ও উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তারা।

বসুরহাট ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা।”

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাসেম বলেন, “অভিযোগকারীর মামলাটি আমি যোগদানের আগের। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি বিধি অনুযায়ী শুনানি করেছি। বাদীপক্ষ মালিকানার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ই-নামজারির আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার অফিসে সব ধরনের অনৈতিক আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।