Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছোট ফেনী নদীর অব্যাহত ভাঙনে দিশেহারা সোনাগাজীর জনপদ

ফেনী প্রতিনিধি
এপ্রিল ২৪, ২০২৬ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার ছোট ফেনী নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের হাজারো মানুষ। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, কৃষিজমি, দোকানপাট ও স্থাপনা। চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে প্রায় ২০ হাজারের বেশি পরিবারের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের বন্যায় মুছাপুর রেগুলেটর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর থেকেই ছোট ফেনী নদীর দুই তীরে অস্বাভাবিক ভাঙন শুরু হয়। চর মজলিশপুর, বগাদানা, চরদরবেশ, চর চান্দিয়া, চর পার্বতী, চর হাজারী ও মুছাপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে।

সরেজমিনে ছোট ফেনী নদী সেতু এলাকা, ইতালি মার্কেট, তালতলা ও কাজীরহাট সংলগ্ন বাঁশ বাজার এলাকায় দেখা গেছে, জোয়ারের লোনাপানি প্রবল স্রোতে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এতে নদীর তীর ভেঙে পড়ছে দ্রুতগতিতে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অস্বাভাবিক জোয়ার-ভাটার প্রভাবে ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

কাজীরহাট এলাকার বাসিন্দা মো. হানিফ বলেন, “আমার ঘর এখন নদী থেকে মাত্র কয়েক গজ দূরে। যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।” তিনি দ্রুত মুছাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণের দাবি জানান।

চর চান্দিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন খোকন বলেন, “এভাবে চলতে থাকলে সোনাগাজীর মানচিত্রই বদলে যাবে। কৃষি জমি হারিয়ে কৃষকরা অস্তিত্ব সংকটে পড়ছেন।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মুছাপুর ক্লোজারের পুনর্নির্মাণ কাজ ঝুলে থাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। তারা বলছেন, জিওব্যাগ ফেলে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধ না করলে আরও বহু বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাইন উদ্দিন আহমেদ সোহাগ জানান, জোয়ারের পানি খাল হয়ে কৃষিজমিতে ঢুকে পড়ায় ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নোনাপানির কারণে ভবিষ্যতে এসব জমিতে চাষাবাদ কঠিন হয়ে পড়বে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আবু মুসা রকি বলেন, “ভাঙনরোধে জরুরি কিছু স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। জিওব্যাগের মাধ্যমে অস্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিগ্যান চাকমা জানান, নদীতীরবর্তী মানুষের উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

উপকূলীয় বাসিন্দারা দ্রুত মুছাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণসহ স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষায়, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পুরো অঞ্চল ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।