Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৭ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এফডিআর ইস্যুতে অপপ্রচার নয়, সত্য উদঘাটনে তদন্ত হবে: গাজীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
মে ৭, ২০২৬ ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

গাজীপুর জেলা পরিষদের ৬২ কোটি টাকার এফডিআর সংক্রান্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী বলেছেন, জেলা পরিষদে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা আর্থিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলা পরিষদে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, আর্থিক স্বচ্ছতা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আনতে একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, বর্তমানে জেলা পরিষদের আর্থিক সক্ষমতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

তিনি জানান, পূর্বে যেখানে এফডিআরের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৫ কোটি টাকা, সেখানে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১১৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

ব্যারিস্টার ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী বলেন, “কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা এফডিআর কোনো ব্যক্তি এককভাবে ভাঙাতে পারে না। সম্পূর্ণ ব্যাংকিং বিধি-বিধান, প্রশাসনিক অনুমোদন ও সরকারি নিয়ম অনুসরণ করেই সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে যদি কোনো আইনি বা প্রশাসনিক অসঙ্গতির অভিযোগ উঠে থাকে, তাহলে তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সরকারি অডিটের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তদন্তও পরিচালনা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদে গড়ে ওঠা একটি স্বার্থান্বেষী চক্র প্রশাসনিক সংস্কার ও বদলির কারণে অসন্তুষ্ট হয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তবে এসব অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে জনস্বার্থে উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইডি কার্ড প্রদান, অফিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, নতুন রেজিস্টার সংযোজন, বেহাত সম্পদ উদ্ধারে উদ্যোগ, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মতো নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

এছাড়া জুলাই আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণের একটি ভাঙা স্থাপনাকে সৃজনশীলভাবে পুনর্গঠন করে সেখানে গাজীপুর ও বাংলাদেশের মানচিত্র স্থাপন করায় স্থানীয়দের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি।

প্রশাসক বলেন, “গাজীপুর জেলা পরিষদকে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি। কোনো অপপ্রচার বা কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র উন্নয়নের এই ধারা থামাতে পারবে না।”

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদের বিভিন্ন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।