বাগেরহাটের চিতলমারীতে ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পল্লিবিদ্যুতের খুঠি ও তারের উপর গাছ পালা উপড়ে পড়ে অধিকাংশ এলাকায় তার ছিড়েগেছে,এবং খুঠি ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়েগেছে। যার ফলে পুরো উপজেলায় ৩৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। বিদ্যৎ সংযোগ না থাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার দিবগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হলেও অধিকংশ এলাকা এখনও বিদ্যুৎ বিহীন রয়েছে।
এছাড়া উপজেলার হিজলা গ্রামের ওলি খান নামের এক খামারীর ১২ শ ডিম পাড়া লাল লেয়ার মুরগী ও শাহীন খানের ১১ শ পোট্রী মুরগী মারা গেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিত্রাংয়ের আঘাতে মৎস্য ঘেরের উপর নির্মিত মুগীর খামারের ঘর দুটি পানিতে পড়ে যায়। এসময় পানিতে ডুবে ওই দুই খামারীর ১২শ ডিমপাড়া লিয়ার মুরগী ও ১১শ পোল্টী মুরগীর মৃত্যু হয়।
উপজেলা পল্লি বিদ্যুতের ডিজিএম মোঃ হিদুল ইসলাম জানান, সিত্রাংয়ে বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রচুর পরিমান বিদ্যুতের ঘুটি ভেঙ্গেগেছে অনেক খুটি হেলে পড়েছে। বড় বড় গাছ ও ডালপালা ভেঙ্গে তার ছিড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।
এছাড়া আশেপাশের এলাকায়ও ক্ষয় ক্ষতি হওয়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছন্ন ছিল। ক্ষতির পরিমান বেশী হওয়ায় কাজ করতে অনেক সময় লাগছে। যেখানে কজকরা সম্ভব হয়েছে সেখানে লাইন চালু করা হচ্ছে। তবে আজ কালের মধ্যে সম্পন্ন লাইন চালু করা সম্ভব হবে।
ইউএনও সাইয়েদা ফয়জুন্নেছা জানান, এউপজেলায় প্রচন্ড বৃষ্টি ও সিত্রাংয়ের ফলে ২৫০ টি পরিবারের কাচা ও টিনের ঘরের ক্ষতি ও ৫৮৫ পরিবারের রোপা আমন, পান,সাকসবজি, কলাসহ ১৩০ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এবং পল্লি বিদ্যুৎসহ গাছ পালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

