Nabadhara
ঢাকারবিবার , ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চিতলমারীতে এক মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক, বিপাকে চাষিরা

শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী 
এপ্রিল ২৬, ২০২৬ ৪:০৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শফিকুল ইসলাম সাফা, চিতলমারী 

চিতলমারীতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও হতাশার ছায়া কৃষকের মুখে। একই সঙ্গে ধান পেকে যাওয়ায় সবাই একসাথে কাটা শুরু করেছেন। এতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রমিক মিলছে না। এমন অবস্থায় শ্রমিকদের কদর বেড়েছে। এক মণ ধান দিয়েও এক দিনের জন্য একজন শ্রমিক মিলছে না। টানা বৃষ্টি শুরু হলে পাকা ধান ঘরে তুলতে ভোগান্তিতে পড়তে হবে—এমন আশঙ্কাও করছেন অনেকে। এতে কৃষকেরা লোকসানের মুখে পড়বেন বলে মনে করছেন তারা।

স্থানীয় চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর বোরো ফসলের বাম্পার ফলন হলেও শেষ সময়ে এসে নতুন ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তারা। শ্রমিক সংকটের পাশাপাশি ধান কাটা ও মাড়াই মেশিন চালাতে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে বাজারে ধানের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক কমে যাওয়ায় এক মণ ধানের দামে এক দিনের জন্য একজন শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় অনেকেই নতুন ফসল ঘরে তোলা নিয়ে মহা চিন্তায় পড়েছেন।

উপজেলার কুরমনি মাঠের চাষি মালেক শেখ, দুর্গাপুর মাঠের চাষি প্রতুল হালদার এবং শ্যামপাড়া গ্রামের বোরো চাষি মাধব বৈরাগীসহ অনেকে জানান, এখন অধিকাংশ ফসলেই পাক ধরেছে। বেশিরভাগ স্থানে ধান কাটা শুরু হয়েছে, কিন্তু মেশিনের জন্য পর্যাপ্ত তেল মিলছে না। এছাড়া কৃষি অফিস থেকে তেলের জন্য যে কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেই কার্ড নিয়ে পাম্পে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি শ্রমিক সংকট রয়েছেই।

ধানের মণ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়, অথচ একজন শ্রমিকের মজুরি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা। এতে দেড় মণ ধানের দাম দিয়ে প্রতিদিন একজন শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে। তারা অনেকেই বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও ও দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুদে টাকা এনে চাষাবাদে ব্যয় করেছেন। এখন কীভাবে ফসল ঘরে তুলবেন এবং ঋণ শোধ করবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না বলে হতাশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সিফাত-আল-মারুফ জানান, চলতি বোরো মৌসুমে এলাকায় ১২ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের উচ্চ ফলনশীল ও দেশীয় জাতের বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। এ বছর বোরো ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফসল মাড়াই ও কাটার জন্য এ পর্যন্ত শতাধিক চাষিকে তেলের কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এলাকায় একটি মাত্র তেলের পাম্প থাকায় সেখান থেকে ঠিকমতো তেল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া ১৪৪০ টাকায় সরকার ধান কেনার ঘোষণা দিয়েছেন—সেটি চালু হলে চাষিরা সঠিক মূল্য পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।