দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে সম্ভাব্য পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ টহল জোরদার করেছে। সীমান্তজুড়ে বিজিবি কঠোর সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় দিন-রাত টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় অংশে প্রায় ১৮ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের আশঙ্কা মাথায় রেখে বিভিন্ন বিওপিতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, শনিবার গভীর রাতে উপজেলার প্রাগপুর কবরস্থানপাড়া সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ সীমান্তের লাইট বন্ধ করে কাঁটাতারের বেড়ার একটি পকেট গেট ব্যবহার করে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয় জনতা তা প্রতিহত করে। এরপর থেকে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবির দাবি, নিয়মিত টহল ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার কারণে এখন পর্যন্ত দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে কোনো পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাইকিংসহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল বলেন, “বিএসএফের সম্ভাব্য পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকার মানুষ বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে টহল কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। সীমান্ত সুরক্ষায় এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “পুশইন সংক্রান্ত যে কোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছি। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—পুশইন গ্রহণযোগ্য নয় এবং কোনোভাবেই তা হতে দেওয়া হবে না।”

