বাগেরহাট প্রতিনিধি
যুবসমাজকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে কর্মসংস্থান ও টেকসই জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাগেরহাটে দক্ষতা উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং অ্যাক্টিভিস্টা বাগেরহাট ও অ্যাক্টিভিস্টা রামপালের আয়োজনে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিয়া খাতুন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তন্ময় দত্ত, বাগেরহাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শংকর কুমার সরকার, বাগেরহাট মেরিন টেকনোলজির অধ্যক্ষ মো. মাজাহারুল হাসান খান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সোহেল পারভেজ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান, শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা নাজমুছ সাকিব, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটন, সহ-সভাপতি এস এম রাজ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
আয়োজকরা জানান, তথ্যের অভাব, আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দুর্বল যোগাযোগের কারণে জেলার অনেক যুবক-যুবতী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে (টিভিইটি) অংশ নিতে পারেন না। এ বাস্তবতা বিবেচনায় তাদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে সচেতন করতেই এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
মেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মেরিন টেকনোলজি প্রতিষ্ঠান এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর পৃথক স্টল স্থাপন করে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স, ভর্তি প্রক্রিয়া, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণের মেয়াদ এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে।
এ ছাড়া বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নিবন্ধন বুথ থেকে আগ্রহী যুবকদের নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি কিউআর কোডের মাধ্যমে সহজে নিবন্ধনের সুযোগও রাখা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে যুবসমাজকে কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আয়োজন যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর তারা গুরুত্বারোপ করেন।

