নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ দক্ষতা, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক পরিসরে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) প্রথমবারের মতো তিন মাসব্যাপী বেসিক জাপানি ভাষা ও জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি টেস্ট (জেএলপিটি) প্রস্তুতি কোর্সের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড পার্সোনাল ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (জিএইউ-এলপিডিসি)-এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে এ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভাইস-চ্যান্সেলর) অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ। এছাড়া কোর্সের প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন।
প্রথম ব্যাচে নিবন্ধন করা ৩৫ জন শিক্ষার্থী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠারের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হান। পরে কোর্স প্রশিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন কোর্সের পাঠক্রম, শিক্ষণ পদ্ধতি, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক বৃত্তি এবং জাপানে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ গ্রহণে সক্ষম হবে।
এসময় জিএইউ-এলপিডিসির ভাইস-প্রেসিডেন্ট সাজ্জাতুল ইসলাম শাওন ক্লাবের পূর্ববর্তী কার্যক্রম তুলে ধরে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ভাষা শিক্ষা, সফট স্কিল উন্নয়ন এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশমূলক বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ বর্তমান বিশ্বে ভাষাগত দক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরে প্রধান অতিথি হিসেবে কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, “আজকের বিশ্বে শুধু একাডেমিক সাফল্যই যথেষ্ট নয়; আন্তর্জাতিক ভাষাজ্ঞান, আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। জাপানি ভাষা শিক্ষা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন জ্ঞান, গবেষণা, প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অসংখ্য সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমি বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আন্তর্জাতিকমুখী করে তুলবে এবং আমাদের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখবে।”

