আনিসুর রহমান সুমন, শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
কাঁকড়া, কুচিয়া, ঝিনুক ও শামুক রপ্তানিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় মৎস্য পদক-২০২৬-এর স্বর্ণপদক পেয়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগরের উদ্যোক্তা মো. শহিদুল ইসলাম জুয়েল। তিনি শ্যামনগর উপজেলার ৯ নম্বর বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দাঁতিনাখালী গ্রামের ‘একোয়ামেক্স লিমিটেড’-এর উদ্যোক্তা।
সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সফটশেল কাঁকড়া উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তার প্রতিষ্ঠানটি। এ উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি কাঁকড়া চাষি, সংগ্রহকারী ও শ্রমিকদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
গত রোববার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আজমিতা ইউনিয়নের জজ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়াম মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশেষ অবদানের জন্য ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলাম জুয়েলের হাতে জাতীয় মৎস্য পদকের স্বর্ণপদক তুলে দেওয়া হয়। পদক বিতরণ শেষে পদকপ্রাপ্তদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সুন্দরবন উপকূলীয় শ্যামনগরের অর্থনীতিতে সফটশেল কাঁকড়া চাষ ও রপ্তানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একোয়ামেক্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠার ফলে এলাকার বহু দুস্থ ও নিম্নআয়ের মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং অনেক পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরেছে।
জাতীয় পর্যায়ে এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি শ্যামনগরসহ সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে কাঁকড়া চাষ ও রপ্তানির সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

