দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বন্ধুদের সঙ্গে পদ্মা নদীতে ফুটবল খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া মোস্তাকিম (১২) নামে এক শিশুর মরদেহ প্রায় ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর ভাগজোত এলাকায় শিশুটির মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা তা উদ্ধার করেন।
নিহত মোস্তাকিম রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের রতন জমাদারের ছেলে। সে সোনাতলা দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে ওই মাদ্রাসার ৭-৮ জন শিক্ষার্থী পদ্মা নদীর ভাগজোত ঘাট এলাকায় ফুটবল খেলছিল। একপর্যায়ে নদীর তীব্র স্রোতে মোস্তাকিম ও ইব্রাহিম পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা ইব্রাহিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও মোস্তাকিম নিখোঁজ থাকে।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ও ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হয়। পরে রাতে খুলনা থেকে আসা ডুবুরি দলও অভিযানে যোগ দেয়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়েও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরে শনিবার সকালে পদ্মা নদীর ভাগজোত এলাকায় মোস্তাকিমের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়রা মরদেহটি উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল বলেন, “পদ্মা নদীর ভাগজোত ঘাট এলাকায় নিখোঁজ হওয়া মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ শনিবার সকালে ভেসে উঠলে এলাকাবাসী তা উদ্ধার করেন। পরে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।”
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “পদ্মা নদীতে ডুবে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ শনিবার সকালে ভেসে উঠলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।”

