Nabadhara
ঢাকাসোমবার , ১২ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মনিরামপুরে কলেজের নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ, হাতিয়েছেন ২ কোটি টাকা

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
অক্টোবর ১২, ২০২৬ ৭:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মনিরামপুরে মনোহরপুর কারিগরি ও বিজ্ঞান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ পরিচয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাৎ ও জমি নিয়ে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ ও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির নামে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া, প্রতিষ্ঠানের জমি নিজের নামে দলিল করা এবং শিক্ষার্থীদের বোর্ড ফির টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাফিজুর রহমান।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাফিজুর রহমান ২০০১ সালে যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর এলাকার এমপিওভুক্ত এবিসিডি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর ২০০৪ সালে মনিরামপুরে মনোহরপুর কারিগরি ও বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ পরিচয়ে নিয়োগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে পকেট কমিটি গঠন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির মাধ্যমে কলেজে ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁদের নিয়োগ এবং প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির নামে প্রায় দুই কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি। এ ছাড়া টাকার বিনিময়ে গোপনে আরও অন্তত এক ডজন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এমপিওভুক্তির আগে বিনা বেতনে কাজ করতে হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের জমি নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, খোরশেদসহ কয়েকজনের কাছ থেকে কেনা জমি প্রতিষ্ঠানের নামে দলিল না করে নিজের নামে দলিল করেন হাফিজুর রহমান। পরে জমি প্রতিষ্ঠানের নামে ফিরিয়ে দেওয়া নিয়েও নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২০ সালে করোনাকালীন কলেজের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষার বোর্ড ফি বাবদ প্রায় চার লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় ছয় শতক জমির ওপর তাঁর তিনতলা বাড়ি রয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে অভিযোগে উল্লিখিত অর্থের উৎস ও সম্পদের সঙ্গে কথিত অনিয়মের সম্পর্ক স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের কথা সামনে এলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁরা এসব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন হাফিজুর রহমান।

কলেজের সভাপতি ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলক কুমার শিকদার বলেন, ‘এত পুরোনো বিষয় আমি কিছুই জানি না। তারপরও বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সম্রাট হোসেন বলেন, বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক বলেন, দুর্নীতির বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।