Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত একই পরিবারের চারজনের দাফন সম্পন্ন

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ৮:২৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

স্বজনদের আহাজারি আর প্রতিবেশীদের চোখের জলে ভারী হয়ে উঠেছিল পরিবেশ। শোকাতুর স্বজনদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন প্রতিবেশীরা। একই পরিবারের চার সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যুতে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মোহনপুর গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বজনদের কান্না আর বুকফাটা আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে চারপাশ।

কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নাহিদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন তানজী এবং তাঁদের দুই শিশু সন্তান রোজাইনা ইনায়া ও মুনাইনা ইহানার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) বেলা তিনটার দিকে মনিরামপুর পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামের বাঁধাঘাট ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মায়ের কবরের পাশে পাশাপাশি চিরনিদ্রায় শায়িত হন তাঁরা।

নিহত নাহিদুর রহমানের বড় ভাই জাহিদুর রহমান জানান, গত ১৭ অক্টোবর সকাল সাতটার দিকে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তাঁর ছোট ভাই নাহিদুর রহমান (৪১), ভাইয়ের স্ত্রী আফসানা মতিন তানজী (৩৬) এবং তাঁদের দুই সন্তান রোজাইনা ইনায়া (৭) ও মুনাইনা ইহানার (৩) খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই দিনই রিসোর্টের একটি কক্ষ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন তাঁরা কক্সবাজারে পৌঁছে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোকে নিজেদের স্বজনদের বলে ধারণা করেন। তবে অগ্নিদগ্ধ হওয়ায় মরদেহগুলো দেখে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

দীর্ঘ ১০ দিন পর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকালে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চাচাতো ভাই খালিদ হোসেন জানান, মরদেহ হস্তান্তরের সময় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দাফন সম্পন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, এম্বুলেন্সযোগে বুধবার ভোরে গ্রামের বাড়িতে আনা হয় নাহিদুর ও তার স্ত্রী দুই সন্তানের মরদেহ । মোহনপুর গ্রামে নাহিদুর রহমানের মায়ের কবরের পাশে পাশাপাশি চারটি কবর খুঁড়ে রাখা হয়।বেলা তিনটার বাঁধাঘাট ঈদগাহ মাঠে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মায়ের কবরের পাশেই স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নাহিদুর রহমান। একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।