Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ২৭ আগস্ট ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝিনাইদহ
  13. ঢাকা বিভাগ
  14. তথ্যপ্রযুক্তি
  15. দিনাজপুর
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়কের বেহাল দশা,দ্রুত সমাধানের দাবি

রাসেল আহমেদ,খুলনা প্রতিনিধি
আগস্ট ২৭, ২০২৫ ৪:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাসেল আহমেদ,খুলনা প্রতিনিধি

দীর্ঘদিন ধরে খুলনার শিপইয়ার্ড সড়কের নির্মাণকাজ অচল অবস্থায় পড়ে থাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অসম্পূর্ণ কাজ, গর্ত, জলাবদ্ধতা ও অব্যবস্থাপনায় সড়কটি এখন যান চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ সম্পন্ন এবং ধীরগতি ও অর্থ অপচয়ের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে খুলনা নাগরিক সমাজ।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় শিপইয়ার্ড সড়কের দাদা ম্যাচ কোম্পানির সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবিগুলো তুলে ধরেন সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) ২০১৩ সালে শিপইয়ার্ড সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার জন্য ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতা শেষে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে কার্যাদেশ প্রদান করা হলেও নির্ধারিত সময়সীমা ২০২৪ সালের জুনে অতিক্রান্ত হয়েছে।

কেডিএ দাবি করছে যে প্রকল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে, তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। ডিভাইডার, ড্রেন, ফুটপাথ, লবণচরা সেতু ও কালভার্টসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখনো সম্পন্ন হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার অভিযোগ করেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অপরিকল্পিততা ও চরম ধীরগতির কারণে সড়কটি কোথাও ইটখোয়া, কোথাও গর্তে ভরা, আবার কোথাও জলাবদ্ধ হয়ে কৃষিজমির মতো রূপ নিয়েছে। এতে শুধু জনদুর্ভোগ নয়, স্থানীয় শিল্প ও বাণিজ্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে, শত শত শ্রমিক হয়েছেন বেকার।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “প্রকল্পে এত ধীরগতি ও ব্যর্থতার পরও ঠিকাদারকে প্রায় ৭০ কোটি টাকা প্রদান করা হলো কেন? কেন তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি?” তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘসূত্রিতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে প্রকল্প ব্যয় এখন প্রায় আড়াই গুণ বেড়ে গেছে, অথচ জনদুর্ভোগের কোনো সমাধান হয়নি।”

নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ বলেন, শিপইয়ার্ড সড়ক এখন খুলনাবাসীর দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ না হলে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান, অতীতের মতো এবারও ভুক্তভোগী মানুষের পাশে থেকে বিষয়টি জাতীয়ভাবে তুলে ধরতে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।