Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেবহাটায় ৮ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে থানায় মামলা

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি
ডিসেম্বর ১২, ২০২৫ ৮:১২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

দেবহাটায় ৮ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নির্যাতিত শিশুটির মা উপজেলার চররহিমপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের স্ত্রী হনুফা খাতুন শিলা (২৪) বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় উক্ত মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা নং-০৩, তাং- ১১/১২/২৫ ইং। মামলার আসামী করা হয়েছে চররহিমপুর গ্রামের মৃত মান্দার গাজীর ছেলে মানিক গাজী (৬৫) কে। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাদীর টাউনশ্রীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২য় শ্রেনীতে পড়ুয়া কন্যা গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ২৫ ইং সকালে বাড়িতে খেলা করছিল।

সকাল ৭টার দিকে এই সুযোগে আসামী মানিক গাজী তার মেয়েকে মুরগির খাবার দেয়ার কথা বলে কৌশলে তার ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে সে তার নাবালিকা কন্যার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ও জোরপূর্বকভাবে তাকে ঘরের ভেতরে যৌন নিপীড়নের উদ্দেশ্য কৌশলে আটকে রেখে তার যৌন কামনা চরিতার্থ করে এবং ধর্ষণ করে।

অনেকক্ষণ তিনি তার মেয়েকে দেখতে না পেয়ে তাকে খুঁজতে শুরু করলে একপর্যায়ে তিনি আসামীর ঘরের ভেতর দিক থেকে তার মেয়েকে পড়নের প্যান্ট খোলা অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে দৌড়ে বাইরে আসতে দেখেন।

তিনি সঙ্গে সঙ্গে তার মেয়েকে ঘরে এনে জিজ্ঞাসা করলে সে প্রথমে ভয়ে কিছু বলতে চায়নি। পরে  তিনি তাকে আশ্বস্ত ও সান্ত্বনা দিলে সে ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ জানায়। আসামী তার (ভিকটিরের) শরীরের গোপনাঙ্গে হাত দিয়েছে এবং তার উপর জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে।

তার মেয়ে তখন আরও জানায় যে, আসামী মানিক গাজী পূর্বেও আরও একাধিকবার একইভাবে ভয় দেখিয়ে তার উপর এই ধরনের যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। পরে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, আসামী মানিক একজন অসাধু ও চরিত্রহীন প্রকৃতির ব্যক্তি, ইতিপূর্বে এই দুঃচরিত্র ব্যক্তি আরো দুজনের সাথে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটিয়েছিল যা এলাকার মানুষ জানে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)এর আওতায় মামলা রেকর্ড করার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা পরবর্তী ভিকটিমের ২২ ধারা ও মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয়েছে।

আসামীকে ধরার জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে জানিয়ে ওসি বলেন, এধরনের গর্হিত কাজ যে করেছে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।