Nabadhara
ঢাকাশুক্রবার , ৭ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আলফাডাঙ্গায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে হয়রানির অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
আগস্ট ৭, ২০২৬ ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় একটি সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নুরুদ্দোহা ওরফে সোহেলের বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর বার্তা পাঠানো, কুপ্রস্তাব দেওয়া, ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি তদন্তে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমীর কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মো. নুরুদ্দোহার কাছে নবম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়ত। এ সুযোগে শিক্ষক বিভিন্ন সময় তাকে আপত্তিকর কথাবার্তা ও কুপ্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা পাঠিয়ে হয়রানি করা এবং বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষক নুরুদ্দোহা ওই শিক্ষার্থীকে শাড়ি পরা ছবি দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে ফোনে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় শিক্ষার্থী আতঙ্কিত হয়ে স্কুল ও প্রাইভেট পড়তে যেতে ভয় পাচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক মো. নুরুদ্দোহা বলেন, বিদ্যালয়ে কম্পিউটারে রেজিস্ট্রেশনের কাজ করার কারণে তিনি ওই শিক্ষার্থীর একটি ছবি মুঠোফোনে চেয়েছিলেন। শাড়ি পরা ছবি চাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তার ছেলের বিয়ের জন্য দুটি মেয়ে পছন্দ করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে ওই শিক্ষার্থীও ছিল। এ কারণে তিনি তার কাছে শাড়ি পরা একটি ছবি চেয়েছিলেন। তবে রাত ১২টার পর ওই শিক্ষার্থীকে ফোন করা ঠিক হয়নি বলে নিজের ভুল স্বীকার করেন তিনি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীর পরিবার উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। অভিযোগের পর ইউএনও তাকে ডেকেছিলেন এবং বিষয়টি তদন্তে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক মো. নুরুদ্দোহা গণিত বিষয়ের শিক্ষক এবং প্রায় ১২ বছর ধরে ওই বিদ্যালয়ে পাঠদান করছেন। তিনি কিছুটা রাগী এবং শিক্ষার্থীদের শাসন করেন। তবে এর আগে তার বিরুদ্ধে কোনো ছাত্রীকে হয়রানির অভিযোগ শোনা যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।