শামীম শেখ, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ফেরিঘাট ও ফেরি পারাপারের ওয়েস্কেল পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান এটিএম আব্দুল বারী ড্যানি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে তিনি গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শনে আসেন।
পরিদর্শনের সময় তিনি ফেরিঘাটের সার্বিক কার্যক্রম, যানবাহনের ওজন নির্ধারণ, টিকিটিং ব্যবস্থা ও ঘাটের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এর আগে তিনি মানিকগঞ্জের আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটও পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এটিএম আব্দুল বারী ড্যানি বলেন, ফেরি পারাপারের ক্ষেত্রে প্রতিটি যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ওজনের সীমা রয়েছে। নির্ধারিত সীমার চেয়ে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহন করলে তা ওভারওয়েট হিসেবে গণ্য হবে। অতিরিক্ত মালামালের জন্য নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কার্যক্রম মোটামুটি আপডেটিং পর্যায়ে আছে। তবে এটিকে আরও আধুনিকায়ন করতে হবে। একটি স্মার্ট বিআইডব্লিউটিসি কীভাবে করা যায়, সে বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। এমন একটি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে ঢাকায় হেড অফিসে বসেই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অপারেটিং সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা মন্ত্রণালয় ও হেড অফিস থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এখানকার বিভিন্ন বিষয় দেখেছি এবং আপডেটিংয়ের কাজ করছি।’
টিকিটিং ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘যেহেতু এখানে টিকিটের সিস্টেম রয়েছে, তাই নির্ধারিত নিয়মে টিকিট নিয়েই যানবাহনকে ফেরিতে পার হতে হবে। ভবিষ্যতে আরও স্মার্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।’
বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমাদের সংস্থার কারও বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তসাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিসির কমার্শিয়াল ডিরেক্টর মো. আশিকুজ্জামান, ফাইন্যান্সিয়াল ডিরেক্টর শেখ মোহাম্মদ নাসিম, উপসহকারী পরিচালক ছালাম হোসেন, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউজ্জামান, দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার বশির আহমেদ খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

