Nabadhara
ঢাকারবিবার , ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা: রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

সোহেল রানা বাবু, বাগেরহাট প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ৬:১৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সোহেল রানা বাবু, বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চান্দেরখোলা গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পারিবারিক বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে ৪ আগস্টের মধ্যে যেকোনো সময় চান্দেরখোলা গ্রামে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যা করা হয়। ৪ আগস্ট সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এ ঘটনায় কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনার পর বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কচুয়া থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ আগস্ট অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মূল আসামি জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, জাহিদুল ইসলাম মৃত মজিদ হাওলাদারের ছেলে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে অপর দুই আসামি আসাদুল শেখ ও মো. আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসাদুল শেখ সুলতান শেখের ছেলে এবং আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবু বারিক হাওলাদারের ছেলে।

গ্রেপ্তারের সময় আসাদুলের ঘর থেকে আলামত হিসেবে একটি ZENX-2 মুঠোফোন ও চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তিনজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, নিহত আহাদের পরিবারের এক নারীর সঙ্গে জাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি উভয় পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে নিহত মনিরা বেগমের সঙ্গে জাহিদুলের বিরোধ ও ঝগড়াঝাঁটি হয়। একই বিষয়কে কেন্দ্র করে জাহিদুলের নিজের স্ত্রীর সঙ্গেও পারিবারিক বিরোধ চলছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে জাহিদুল ইসলামের পরিকল্পনায় অন্য আসামিদের সহযোগিতায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।