নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে চক্রের মূল হোতাসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণায় ব্যবহৃত একাধিক মোবাইল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নড়াইল জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার কলাগাছি গ্রামের আজাদ মোল্যার ছেলে ফরহাদ হোসেন (২৬), লোহাগড়ার লাহুড়িয়া ডহরপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে সজীব হোসেন (৩০), গোবিন্দপাড়া গ্রামের প্রলাদ মজুমদারের ছেলে প্রসেনজিৎ মজুমদার (৩০), চর ঝামারঘোপ গ্রামের মত শাহাদাৎ মোল্যার ছেলে জমির মোল্যা (৪৫), মাগুরার কলাগাছি গ্রামের মহামিন মোল্যার ছেলে আলাউদ্দিন মোল্যা (২৮), লোহাগড়ার কালিনগর গ্রামের মিটুর মোল্যার ছেলে লাছু মিনহাজ (২৪), মাগুরার কলাগাছি গ্রামের সাখাওয়াত মোল্যার ছেলে নাজমুল মোল্যা (২৬), একই গ্রামের আজাদ মোল্যার ছেলে ফরিদ হোসেন (২৮) এবং লোহাগড়ার কালিনগর গ্রামের মৃত বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে বিবেক বিশ্বাস (২৫)।
পুলিশ সুপার বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’, ‘নাহিদ ওয়ার্ড’, ‘কলম প্যাকেজিং’, ‘কাকলী ফার্নিচার’, ‘ইলিশ ভাইয়া চাঁদপুর’ ও ‘অনলাইন বিডি’সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।
পুলিশ জানায়, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল লোহাগড়া উপজেলার ঝামারঘোপ বাজারে অভিযান চালায়। এ সময় বাজারের ‘মা ফার্মেসি’তে অভিযান চালিয়ে ফার্মেসির মালিক ও চক্রের মূল হোতা ফরহাদ হোসেন, তার প্রধান সহযোগী সজীব হোসেনসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

