Nabadhara
ঢাকাবুধবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাগুরায় ২৩৫ ইউনিটের বিল ৫০৬ কোটি টাকা, জিএম বরখাস্ত

সুব্রত সরকার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সুব্রত সরকার, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরায় মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এক মাসে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি বিল পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের বিশেষ নির্দেশে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) তাকে বরখাস্ত করে।

ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামে। ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিলে এ অস্বাভাবিক অঙ্ক উল্লেখ করা হয়।

বিলের কাগজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ওই গ্রাহক এক মাসে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। আবাসিক গ্রাহক হিসেবে তার প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ছিল ১ হাজার ৯৬৩ টাকা, বিলম্ব মাশুলসহ ২ হাজার ৫৬ টাকা। কিন্তু বিলে শুধু ‘ডিমান্ড চার্জ’ হিসেবে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা উল্লেখ করা হয়।

এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকার বেশি ভ্যাট ও মিটার ভাড়া যোগ হয়ে মোট বিলের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ তা ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ টাকার বেশি হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। ভুক্তভোগী গ্রাহক আলেয়া খাতুন বলেন, ‘এটি শুধু ভূতুড়ে বিল নয়, একেবারে আজগুবি। কর্তৃপক্ষের এমন দায়িত্বহীনতার জবাবদিহি হওয়া প্রয়োজন।’

বিষয়টি জানতে পেরে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ভুল সংশোধন করে এরই মধ্যে সঠিক বিল গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে পড়লে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম বিলের ভুলের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, গ্রাহকের মিটারের সিল পরিবর্তনের সময় অসাবধানতাবশত সিলের ডিজিটাল নম্বরটি ‘ডিমান্ড চার্জের’ ঘরে উঠে যায়। এ কারণেই অস্বাভাবিক বিলের অঙ্ক তৈরি হয়েছিল।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।