পঞ্চগড় প্রতিনিধি
হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে দিনে তীব্র রোদে গরম, আর সন্ধ্যার পর বাড়ছে শীতের অনুভূতি। সেই সঙ্গে রাত ও ভোরে ঘন কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। তাপমাত্রার এমন ওঠানামায় বদলে যাচ্ছে জেলার আবহাওয়া। বিশেষ করে শেষ রাতে শীতের অনুভূতি বেশি হওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের গরম কাপড় ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিনের বেলায় কড়া রোদে গরম অনুভূত হলেও সন্ধ্যার পর থেকেই ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতিও বাড়ে। শেষ রাতে অনেকেই হালকা গরম কাপড় গায়ে জড়াচ্ছেন। ঘাস ও গাছের পাতায় জমছে শিশিরের বিন্দু। পাশাপাশি রাতের কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ।
প্রকৃতিতে এখন হেমন্তকাল। মাঠে মাঠে বেড়ে উঠছে সবুজ ধান। গাছে গাছে ফুটছে শিউলি, বকুলসহ নানা ফুল। তবে হেমন্তের এই সময়ে পঞ্চগড়ে দিনের গরম আর রাতের শীতের বৈপরীত্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শীতের আগমনী বার্তায় গরম কাপড়ের দোকানগুলোতেও বাড়ছে মানুষের আনাগোনা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। রাত ও ভোরে কুয়াশার প্রবণতাও বাড়ছে। তবে দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় দিনে গরম এবং রাতে ও ভোরে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও কমে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

