Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৭ নভেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চিতলমারীতে অগ্রিম টাকা দিয়ে তৈরি হচ্ছে পাখি শিকারের ফাঁদ

স্টাফ রিপোর্টার
নভেম্বর ৭, ২০২৬ ৪:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার

পাখি শিকার বন্ধ হচ্ছে না কিছুতেই। শীত মৌসুমকে সামনে রেখে শিকারিদের চাহিদা অনুযায়ী অগ্রিম টাকা দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে পাখি ধরার ফাঁদ। আর এসব ফাঁদ তৈরির কাজে যুক্ত হচ্ছেন এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারীরা। বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শ্রীরামপুর ও পাড়ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় অর্ধশত পরিবার শীত মৌসুমে পাখি ধরার ফাঁদ তৈরির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। এসব ফাঁদ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন গোপালগঞ্জ, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন বিল এলাকার শিকারিরা ফাঁদ তৈরি করাতে এখানে আসেন। পাশাপাশি স্থানীয় শিকারিরাও এসব ফাঁদ কিনছেন। অভাবী পরিবারের নারীদের অগ্রিম টাকা দিয়ে সহজলভ্য উপায়ে ফাঁদ তৈরি করানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ফাঁদ তৈরির কাজে যুক্ত নারীরা জানান, প্রতিবছর শীত মৌসুমে পাখি শিকারিরা ফাঁদ তৈরির জন্য তাঁদের অগ্রিম টাকা দিয়ে যান। প্রতি কেজি ফাঁদ এক হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হয়। এ ছাড়া শিকারিরা নিজেদের টাকায় সুতা কিনে দিলে তাঁদের কাছ থেকে প্রতি কেজিতে ৫০০ টাকা মজুরি নেওয়া হয়। বেকারত্ব ও আর্থিক সংকটের কারণে সংসার চালাতে তাঁরা এ পেশা বেছে নিয়েছেন বলে জানান কয়েকজন নারী।

প্রতিবছর শীতের শুরুতে বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে পরিযায়ী পাখিরা আশ্রয় নেয় চিতলমারীর খাল, বিল, জলাশয় ও চিত্রা নদীর পাড়ের মিনি সুন্দরবনে। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে আসা এসব পাখির অনেকেই শিকারিদের ফাঁদে পড়ে প্রাণ হারায়। দেশে প্রচলিত আইনে পরিযায়ী পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও একশ্রেণির অসাধু শিকারি নির্বিচারে পাখি শিকার করছে।

উপজেলার সোনাখালী, রুয়েরকুল, কালশিরা, বারাশিয়া ও সাবোখালীসহ বিভিন্ন বিলে ফাঁদ পেতে পাখি শিকারের অভিযোগ রয়েছে। শিকার করা পাখি হাটবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে গোপনে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের অনেক পরিবার পাখি ধরার ফাঁদ তৈরির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শ্রীরামপুর গ্রামের খোকন বিশ্বাস জানান, রাত গভীর হলে বিলের ভেতর থেকে পাখির ডাক শোনা যায়। তবে সব সময় তা আসল পাখির ডাক নয়। আগে পাতার বাঁশি বাজিয়ে পাখির ডাক নকল করে পাখিদের ফাঁদের কাছে আনা হতো। এখন সাউন্ডবক্সে পাখির কণ্ঠ নকল করে সেই শব্দ বাজানো হয়। নকল ডাক শুনে পাখিরা ফাঁদের দিকে ছুটে আসে।

এ বিষয়ে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার জানান, পাখি শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ। এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে এলাকায় মাইকিং করা হবে। এরপরও কেউ ফাঁদ তৈরি বা পাখি শিকারের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব বিলে পাখি শিকারের ফাঁদ পাতা হয়েছে, সেগুলো শনাক্ত করে অপসারণ করা হবে। পাশাপাশি পরিযায়ী পাখি রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।