Nabadhara
ঢাকারবিবার , ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদারীপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম দুরবস্থা: তালাবদ্ধ কেন্দ্র,নেই চিকিৎসক

মাদারীপুর প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৫ ৯:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুর জেলার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। জনবল সংকট, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের অনুপস্থিতি ও ওষুধের অভাবে সাধারণ জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চিকিৎসক উপস্থিত থাকার নিয়ম থাকলেও বাস্তবে তার মিল নেই। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায়ও মাদারীপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. সাবিনা বিনতে আলমগীর অনুপস্থিত ছিলেন। রোগীরা ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও চিকিৎসা না পেয়ে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে চলে যাচ্ছেন প্রাইভেট ক্লিনিকে অথবা তার ব্যক্তিগত চেম্বারে।

স্থানীয় রোগীদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে তাকে সময়মতো পাওয়া যায় না, অথচ ব্যক্তিগত চেম্বারে গিয়ে অর্থের বিনিময়ে চিকিৎসা নিতে হয়।

জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে থাকা ৪৮টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং ৯টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের অবস্থা আরও করুণ। বেশিরভাগ কেন্দ্রে সপ্তাহে এক-দুইদিন খোলা থাকলেও মিলছে না কোনো সেবা।

ওষুধ সরবরাহ বন্ধ প্রায় এক বছর ধরে, আর ১১২৬টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৪৯৭টি পদ শূন্য, বলে জানিয়েছে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়।

  • হাসিয়া বেগম, পূর্ব চিড়াইপাড়া: “ডাক্তারকে পাই না, বাধ্য হয়ে তার চেম্বারে গিয়ে টাকা দিয়ে চিকিৎসা নিতে হয়।”
  • রোকেয়া বেগম, পাকদি: “দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করছি, ডাক্তার নেই। আগেও এসে পাইনি।”
  • বিল্লাল হোসেন, পানিছত্র: “গরমে বাচ্চা নিয়ে বসে থাকা যায় না। সরকারি হাসপাতালে সেবা এমন হয়?”

ইউনিয়ন পর্যায়ের চিত্রও ভিন্ন নয়। মাদ্রা গ্রামের চন্দনি বেগম বলেন, “ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই, ভবনে তালা ঝুলে থাকে।”
জুলিয়া বেগম বলেন, “এখানে এখন কেউ আসে না। সপ্তাহে একদিন একজন এমবিবিএস ডাক্তার আসতেন, তিনিও আসেন না।”
ভ্যানচালক কেরামত মুন্সি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ভবন সুন্দর, কিন্তু চিকিৎসা নেই।”

চিকিৎসক ডা. সাবিনা বিনতে আলমগীর বলেন,“কখনও সাড়ে ৯টা, কখনও ১০টা বাজে অফিসে ঢুকি। মেয়েকে স্কুলে দিয়ে আসা কিংবা জেলা অফিসের কাজে দেরি হয়। তবে প্রতিদিন এমন হয় না।”

তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রায় প্রতিদিনই তিনি দেরি করেন এবং সরকারি হাসপাতালের রোগীদের উপেক্ষা করে চেম্বারমুখী হন।

মাদারীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মতিউর রহমান বলেন,“জনবল ঘাটতি পূরণে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে অফিসে না এলে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।