Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যশোরে ফ্লাইওভার কাম রেলওয়ে ওভারপাসের কাজ শুরু

যশোর প্রতিনিধি 
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

যশোর প্রতিনিধি 

যশোরের আরবপুর মোড় থেকে চাঁচড়া পর্যন্ত ফ্লাইওভার কাম রেলওয়ে ওভারপাসের কাজ শুরু হয়েছে। যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা কমানো এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গতি আনতেই এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাস্তবায়িত হলে যশোর, বেনাপোল ও ভোমরাসহ দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে।

 

ওয়েস্টার্ন ইকোনমিক করিডর (উইকেয়ার, ফেজ-১) প্রকল্পের আওতায় যশোর সদরের মুরাদগড় থেকে চাঁচড়া মোড় পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার সড়ক ছয় লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এর মধ্যে আরবপুর মোড় থেকে চাঁচড়া পর্যন্ত দুটি রেলক্রসিং এড়াতে ২ দশমিক শূন্য ৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার কাম রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণের কাজ চলছে। পাশাপাশি বারীনগর ও চুড়ামনকাটি বাজার এলাকায় দুটি পিওপি (পেডেস্ট্রিয়ান ওভারপাস) এবং যশোর সেনানিবাস এলাকায় ৪১৫ মিটার দীর্ঘ ভিওপি (ভেহিকুলার ওভারপাস) নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৪শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ ট্রাক দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়। সড়ক সংকীর্ণ ও রেলক্রসিংয়ে জটের কারণে পরিবহণে দীর্ঘ সময় ক্ষতি হয়। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, “রাস্তার জরাজীর্ণ অবস্থা ও যানজটের কারণে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। ওভারপাস হলে পরিবহন চলাচল সাবলীল হবে।”

 

ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন গাজী বলেন, “ফ্লাইওভার ও রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ হলে আমাদের অযথা সময় নষ্ট হবে না। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।”

 

বাসচালকরা জানান, সংকীর্ণ সড়ক ও রেলক্রসিংয়ে অপেক্ষার কারণে শ্রমঘণ্টা নষ্ট হয় এবং গাড়ির যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৬ লেন মহাসড়ক হলে সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচবে।

 

প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী নকিবুল বারী জানান, ২০২০ সালে একনেক সভায় প্রকল্প অনুমোদন হলেও ডিজাইন ও ঠিকাদার নিয়োগে দেরি হয়েছে। জমি অধিগ্রহণই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। যশোর অংশে ৫৩ একর জমির অনুমোদন পাওয়া গেছে, আরও ৭ একর অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

 

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ দ্রুত পরিশোধ করে জমি হস্তান্তর করা হবে। পাশাপাশি বারীনগর এলাকায় ভিওপি নির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাতে সবজির বাজারকেন্দ্রিক যানজট নিরসন হয়।

 

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর একনেক সভায় যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়ককে ৪৭ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার ছয় লেনে উন্নীতকরণের প্রকল্প অনুমোদন পায়। প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ হাজার ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরবর্তীতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৬২৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা এবং মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।