Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেবাসে গাইড বই ও কোচিং বাণিজ্য: চাপে শিক্ষার্থী-অভিভাবক

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
এপ্রিল ১৯, ২০২৬ ১:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিলেবাসে গাইড বই অন্তর্ভুক্ত এবং কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে চাপে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এতে একদিকে বাড়ছে শিক্ষা ব্যয়, অন্যদিকে তৈরি হচ্ছে বৈষম্যের আশঙ্কা।

সরেজমিনে জানা যায়, সিরাজদিখান উচ্চ বিদ্যালয়ে সিলেবাসের সঙ্গে ‘আদিল গাইড’ নামের একটি গাইড বই যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মূল পাঠ্যবইয়ের বাইরের বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সিলেবাসে প্রশ্নের উত্তর গাইড বইয়ের নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে ওই গাইড বই কিনছে।

বিশেষ করে ইংরেজি গ্রামার ও বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ে শ্রেণিকক্ষে সরাসরি গাইড বই থেকে পাঠদান করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, নির্দিষ্ট প্রকাশনার গাইড বই বাধ্যতামূলক করার পেছনে কিছু শিক্ষক আর্থিক সুবিধা পেয়ে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোতালেব হোসেন মনির বলেন, “সিলেবাসে গাইড বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখের বিষয়টি খেয়াল করা হয়নি। এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল।”

শিক্ষার্থীরা জানায়, বছরের শুরুতেই ভর্তি ফি, পোশাক ও গাইড বই কিনতে গিয়ে কয়েক হাজার টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। দরিদ্র পরিবারের জন্য এই ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে, ফলে ঝরে পড়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।

উপজেলার আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ে একই চিত্র দেখা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে নিম্নমানের কাগজে ছাপানো গাইড বই সিলেবাসভুক্ত করা হচ্ছে, যা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। পাশাপাশি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রাইভেট ও কোচিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। কোথাও শ্রেণিকক্ষেই কোচিং করানো হয়, আবার কোথাও স্কুলের বাইরে আলাদা স্থানে কোচিং পরিচালিত হচ্ছে।

কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, কোচিং না করলে শ্রেণিকক্ষে বৈষম্যের শিকার হতে হয়, এমনকি পরীক্ষায় নম্বর কম দেওয়া বা ফেল করানোর ঘটনাও ঘটে। অন্যদিকে কোচিং করা শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক সুবিধা পায়।

অভিভাবকদের দাবি, আগে বিদ্যালয়েই মানসম্মত পাঠদান হওয়ায় কোচিংয়ের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু বর্তমানে সরকারি বিদ্যালয়েও অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ব্যয়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ বলেন, “সিলেবাসে গাইড বই অন্তর্ভুক্ত করা এবং কোচিং বাণিজ্য সম্পূর্ণ বেআইনি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।