Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৫ ডিসেম্বর ২০২২
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আজও যন্ত্রনা বয়ে বেড়াচ্ছেন চিতলমারীর বীরঙ্গনা মানদা রানী

শফিকুল ইসলাম সাফা চিতলমারী
ডিসেম্বর ১৫, ২০২২ ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দীর্ঘদিন লোকলজ্জার ভয়ে নীরবে থাকলেও এবার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান বাগেরহাটের চিতলমারীর মানদা রানী রায়। এজন্য মহাপরিচালক জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ( জামুকার) কাছে আবেদন করেছেন তিনি। কিন্তু এখনও সরকারি ভাবে তালিকা ভুক্ত হতে পারেনি। বর্তমানে মানদা রায় চরখলিশাখালী তার অভাব গ্রস্ত মেয়ে লিপিকা বোসের বাড়িতে থাকেন।স্বাধীনতার অর্ধশত বছর পার হলেও তিনি পাননি কোন সরকারি সুবিধা। স্বামী হারানো শোক ও পাকবাহিনীর অত্যাচারের যন্ত্রনা আজও নিরবে বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি ।

যুদ্ধকালীন স্মৃতিচারণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে ৮১ বছর বয়সের মানদা রায় জানান, ১৯৭১ সালের ২১ জুন দুপুরে চিতলমারীর দশমহল হিন্দু পল্লিতে রাজাকাদের সহাতায় পাকিস্থানী মিলিটারী সেদিন নির্বিচারে অগ্নি সংযোগ লুটপাট ও গণহত্যা চালায়।ওই দিন অন্য বাড়ির সাথে খলিশাখালী গ্রামে আমাদের বাড়ি আক্রান্ত হয়। ওই সময় তিনি তার স্বামী ও দুই শিশু কন্যাকে নিয়ে পাশে পাট ক্ষেতে আত্মগোপন করেন কিন্তু শেখানেও তার শেষ রক্ষা হয়নি।
এসময় একদল রাজাকাররা তার কোল থেকে দেড় বছরের শিশু লিপিকাকে ছুড়ে ফেলে রাজাকারদের সহাতায় আমাকে পালাক্রমে শারিরীক নির্যাতন চালায়। তখন আমার চিৎকার শুনে আমার স্বামী নির্মল চন্দ্র রায় স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষায় ছুটে এলে ওরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর আমার সঙ্গে কি হয়েছে বলতে পারবোনা, বলে কান্নায় ভেঙ্গেপড়েন এই বিরাঙ্গনা নারী।

সেদিন ও অনেক নিরহ মানুষকে হত্যা করেছিল। মানদা রানী সেদিন তার স্বামীর সৎকারও করতে পারেনি। বাতাসে একমাস ধরে ছিল লাশের গন্ধ। লাশের গন্ধে তখন রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যেতনা। সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ছিলেন তার স্বামী। স্বাধীনতার পর দুই মেয়েকে বড় করতে দিনমুজুর ও ঝিয়ের কাজ করছেন তিনি।এখন বয়সের ভারে কিছুই করতে পারেননা তিনি, একটি চোখও অন্ধ হয়ে গেছে আরেকটা চোখে ঠিকমত দেখতে পায়না। ২০২১ সালের এই বীরাঙ্গনা কে বাগেরহাট জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আর্থিক সহায়তা ও স্বন্বর্ধনা ও সনদপত্র দিয়েছেন।এব্যাপারে ইউএনও সাইয়েদা ফয়জুন্নেছা জানান ,জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল থেকে প্রেরিত মানদা রায়ের একটি আবেদন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।