মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জ শহরের উত্তর কোটগাঁও এলাকায় বসতঘরে ঢুকে এক কাপড় ব্যবসায়ীর স্ত্রী ও মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
রবিবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়।
এর আগে রবিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে উত্তর কোটগাঁও এলাকায় কাপড় ব্যবসায়ী জনি ইসলামের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, একই এলাকার শান্ত খন্দকারসহ কয়েকজন ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় জনি ইসলামের স্ত্রী রিতা মনি ইসলামকে (৩০) গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাদের মেয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল ইসলাম হৃদিকে (১১) পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিতে গেলে জনি ইসলামও আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত রিতা মনির গলায় ২৭টি সেলাই দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
মামলার বাদী জনি ইসলাম বলেন, “ঘুমের মধ্যে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। আমার স্ত্রী ও মেয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। আমরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং নগদ অর্থ লুট করা হয়েছে।
মামলায় শান্ত খন্দকারসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার দিন স্থানীয়রা প্রধান অভিযুক্ত শান্ত খন্দকারকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “প্রধান অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”

