নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রয়াত ড. সুকুমার রায়ের স্মরণে ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে তাঁর পরিবার। বাংলা বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ বৃত্তি ফান্ডে পরিবারের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
এই তহবিলের লভ্যাংশ থেকে প্রতি বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মাস্টার্স পর্যায়ে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী দুই শিক্ষার্থীকে মেধা বৃত্তি প্রদান করা হবে। এর মধ্যে একজন হবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন-ক্যাম্পাস শিক্ষার্থী এবং অন্যজন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ ফান্ডের দাতা পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বৃত্তি ফান্ডের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং প্রয়াত ড. সুকুমার রায়ের স্ত্রী রীতা ব্রহ্ম।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, “ড. সুকুমার রায়ের পরিবারের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করবে। সমাজের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদেরও এ ধরনের শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রমে এগিয়ে আসা উচিত।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ ফান্ডের সদস্য ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, ফান্ডের সদস্য-সচিব এবং ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড ল’ এর চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ হাদিউজ্জামান, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ইমন সালাউদ্দিন এবং প্রয়াত ড. সুকুমার রায়ের পুত্র সুদীপ ব্রহ্ম রায়।
উল্লেখ্য, কৃতী গবেষক ও শিক্ষক ড. সুকুমার রায় ২০২১ সালের ৭ জুলাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর স্মৃতিকে ধরে রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সহায়তা করতে এই বৃত্তি চালু করা হয়েছে।

