Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৪ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভেদরগঞ্জে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

Link Copied!

শাহীন আহমেদ,ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মারধর, শারীরিক লাঞ্ছনা ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সখিপুর থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে প্রধান শিক্ষক উল্লেখ করেন, সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত দেরিতে বিদ্যালয়ে আসেন এবং প্রায়ই অনুমতি ছাড়াই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে দেলোয়ার হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করেন। ওই দিন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিদ্যালয় পরিদর্শন ও জরুরি সভা নির্ধারিত থাকায় প্রধান শিক্ষক তাকে ছুটি না নিয়ে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দেলোয়ার হোসেন বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষককে কিল-ঘুষি ও থাপ্পড় মারেন, গলা চেপে ধরেন এবং মাটিতে ফেলে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও দপ্তরি উপস্থিত ছিলেন এবং অফিস কক্ষের সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার কিছু অংশ ধারণ হয়েছে। পরে তিনি স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহীন আহমেদ বলেন, দেলোয়ার হোসেন ছুটির আবেদন করলে প্রধান শিক্ষক তা মঞ্জুর করেননি। এ নিয়ে উত্তেজনার একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন প্রধান শিক্ষককে মারধর করেন।

তবে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আসমা বেগম বলেন, প্রধান শিক্ষক ও দেলোয়ার হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। ছুটি নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়েই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমার সন্তান অসুস্থ থাকায় ছুটি চেয়েছিলাম। প্রধান শিক্ষক ছুটি দিতে রাজি হননি। এতে উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তখন মাথা ঠিক ছিল না। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমার প্রতি অন্যায় আচরণ করে আসছিলেন, যার কারণে আমার পারিবারিক সমস্যাও সৃষ্টি হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।”

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসাইন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দিক বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন অনুযায়ী বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।