আশরাফুজ্জামান, গাইবান্ধা(পলাশবাড়ী) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পলাশবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন নবনির্বাচিত সভাপতি সুরুজ হক লিটন।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সুরুজ হক লিটন জানান, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর দাদা মরহুম ময়নুল হক মিয়া ৩৫ শতক জমি দান করেছিলেন। জমিদাতার উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনি বিধিমালা অনুযায়ী জমিদাতা ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পান। পরে গত ২৭ জুন অনুষ্ঠিত বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।
তিনি বলেন, “জমিদাতার বংশধর হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের আইনি ও নৈতিক অধিকার আমার রয়েছে। বিদ্যালয়ের সুনাম ও অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে আমি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করছি।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ওঠা সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, “স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের নিজস্ব রাজনৈতিক মতাদর্শ লালন করার অধিকার রয়েছে। দল পরিবর্তন বা রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ক্ষুণ্ণ করা উচিত নয়।”
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহেদার রহমান সরকার বলেন, “সরকারি বিধিমালা ও নিয়ম মেনেই ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া ছিল স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিধি লঙ্ঘনের সুযোগ ছিল না।”

