দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল (সিপাই) আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের ভেতরে দাঁড়িয়ে কনস্টেবল আব্বাস আলী টাকা গুনছেন। একই সময় একজন নারী টাকা গুনে চৌকির ওপর রাখছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বাড়ির মালিক ভেড়ামারা শহরের ফারাকপুর রেলগেট এলাকার হোমিও চিকিৎসক আনিসুর রহমান।
এছাড়া ১৪ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, কুষ্টিয়া শহরের বারখাদা ত্রিমোহনী এলাকার একটি বাড়ির বেডরুমে সোফায় বসে আব্বাস আলী টাকা গুনছেন। তার সামনে চৌকিতে বসে রয়েছেন একজন নারী ও একজন পুরুষ। জানা গেছে, বাড়িটির মালিক রওশন আলী। তার ছেলে ইমনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে এবং একটি মাদক মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কনস্টেবল আব্বাস আলীর ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একইভাবে হোমিও চিকিৎসক আনিসুর রহমান এবং রওশন আলীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আসলাম হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো তিনি দেখেছেন। কী উদ্দেশ্যে এবং কার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

