নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক, অনুবাদগ্রন্থসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা যৌথভাবে প্রণয়ন, মুদ্রণ, প্রকাশ ও বিপণনের লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা একাডেমির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর বাংলা একাডেমির শহীদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে এ বিষয়ে একটি যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা একাডেমির মধ্যে ‘কো-পাবলিকেশনস’ কার্যক্রমের আওতায় মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক, অনুবাদগ্রন্থ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা যৌথভাবে প্রকাশের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসব বইয়ের মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিপণনের ক্ষেত্রেও দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য পাঠ্যপুস্তক নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বাংলা একাডেমির মতো একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার ফলে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক, অনুবাদগ্রন্থ ও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে বাংলা ভাষায় জ্ঞানচর্চা ও গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ তৈরি হবে।”
তিনি আরও বলেন, এ সহযোগিতা শুধু প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভবিষ্যতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার বিভিন্ন ক্ষেত্রেও দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সভায় ভবিষ্যতে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রকাশনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা একাডেমির পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।
সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের পরিচালক ড. ফারুক আহম্মদ, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ আফজাল হোসেন, কমিউনিকেশনস এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া এবং মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কোঅর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

