দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সরকারি রেকর্ডভুক্ত রাস্তা দখল করে বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় শাহজাহান প্যাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের জন্য সাত দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাঠালতলা থেকে তহশিল অফিসের মাঝামাঝি সরকারি রাস্তা পরিদর্শন করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. সাইফুল ইসলাম ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহজাহান প্যাদা, তার ছেলে আর্মিতে কর্মরত রামিম প্যাদা ও স্ত্রী ডেইজি বেগম সরকারি রাস্তার ওপর বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন। এতে স্থানীয়দের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় সরকারি লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী সোহরাব হোসেন সরকারি রাস্তার ওপর দেওয়া বাঁশের বেড়া অপসারণের দাবিতে উপজেলা ভূমি অফিসে লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সকালে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে শাহজাহান প্যাদাকে সরকারি রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের জন্য সাত দিনের সময় দেওয়া হয়।
অভিযোগের বিষয়ে শাহজাহান প্যাদা বলেন, “আমাদের জমি সরকার নিয়েছে, কিন্তু কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তাই আমি রাস্তায় বেড়া দিয়েছি। আমি অন্য জায়গা দিয়ে মানুষের হাঁটার রাস্তার ব্যবস্থা করব, কিন্তু ওই জায়গা দিয়ে রাস্তা দেব না।”
উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণ করা না হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত বাঁশের বেড়া অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

