কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সোনালী ব্যাংকের ঘাঘর শাখায় এক গ্রাহকের জমা দেওয়া টাকা থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা সরিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ওই টাকা গ্রাহককে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। তবে ব্যাংক কর্মকর্তা বিষয়টিকে ভুলবশত হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ঘাঘর শাখায় এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কোটালীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা আল-আমিন শেখ হজের টাকা জমা দিতে সোনালী ব্যাংকের ঘাঘর শাখায় যান। তিনি অফিসার ক্যাশ ফৌজিয়া হকের কাছে ৫ লাখ টাকা জমা দেন। টাকা গণনার পর ফৌজিয়া হক আল-আমিনকে জানান, তার জমা দেওয়া টাকায় ৪ হাজার ৫০০ টাকা কম রয়েছে।
এ সময় আল-আমিন শেখ পুরো ৫ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন বলে দাবি করেন। এ নিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। পরে তিনি শাখা ব্যবস্থাপকের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার অনুরোধ জানান।
আল-আমিন শেখের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার সময় ৫০০ টাকার নয়টি নোট অন্যত্র সরিয়ে রাখার দৃশ্য দেখা যায়। পরে ওই ৪ হাজার ৫০০ টাকা তাকে ফেরত দেওয়া হয়।
আল-আমিন শেখ বলেন, ‘হজে যাওয়ার জন্য আমি ৫ লাখ টাকা জমা দিয়েছিলাম। পরে আমাকে বলা হয় ৪ হাজার ৫০০ টাকা কম রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখার পর টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। এর আগেও আমার ২ হাজার টাকা নিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে আমার অভিযোগ। আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’
অভিযোগের বিষয়ে অফিসার ক্যাশ ফৌজিয়া হক বলেন, ‘ব্যাংকে অনেক ভিড় থাকায় ভুলবশত এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আমি তার ৪ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দিয়েছি।’
সোনালী ব্যাংকের ঘাঘর শাখার ব্যবস্থাপক ফয়সাল হোসেন খান বলেন, ‘একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আল-আমিন শেখের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।’
এ ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের গ্রাহক ও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। গ্রাহকের অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

