কালিয়া(নড়াইল) প্রতিনিধি
নড়াইলের কালিয়ায় এক কওমি মহিলা মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সী আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কালিয়া কওমি মাদ্রাসা ও মহিলা মাদ্রাসার মোহতামিম মুফতি শরীফ শহিদুল্লাহর (৪৫) বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর নানা মো. ইদ্রিস শেখ (৬৩) গত ২১ অক্টোবর কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী শিশু কওমি মহিলা মাদ্রাসার দ্বিতীয় জামাতের আবাসিক ছাত্রী। গত ২০ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি লোক পাঠিয়ে তাকে পার্শ্ববর্তী মহিলা মাদ্রাসা থেকে কওমি মাদ্রাসায় ডেকে নেন। সেখানে তার সঙ্গে আরেকটি মেয়েকে নেওয়া হলে ওই মেয়েকে পানি কিনতে পাঠানো হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় দুজন লোক কক্ষে ঢুকে পড়লে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাত্রীকে কাউকে ঘটনাটি জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে বাড়িতে ফিরে ছাত্রী তার নানাকে বিষয়টি জানালে থানায় অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বেও একাধিকবার এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে মুফতি শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে। তবে প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় তিনি এখনো পদে বহাল আছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত মুফতি শরীফ শহিদুল্লাহ এ অভিযোগকে “সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “অভিযোগকারী আমাদের সঙ্গে বসতে সম্মতি প্রকাশ করেছেন।”
কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইদ্রীস আলী অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “সঠিকভাবে তদন্ত করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

