Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শার্শায় ক্লু-লেস হত্যা রহস্যের অবসান: ট্রাংক থেকে উদ্ধার ভ্যানচালক আব্দুল্লাহর মরদেহ, তিন ঘাতক গ্রেফতার

হুমায়ন কবির মিরাজ, বেনাপোল
অক্টোবর ১৬, ২০২৫ ৭:০৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

হুমায়ন কবির মিরাজ, বেনাপোল

যশোরের শার্শা উপজেলায় নিখোঁজ ভ্যানচালক আব্দুল্লাহ হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর নির্মাণাধীন একটি বাড়ির ট্রাংক থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে শার্শা থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যৌথ টিম। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, গত ১০ অক্টোবর রাতে শার্শার নাভারণ এলাকা থেকে ভ্যানচালক আব্দুল্লাহ (২৫) নিখোঁজ হন। পরদিন ১১ অক্টোবর তাঁর পিতা ইউনুস আলী শার্শা থানায় সাধারণ ডায়েরি (নং ৫০৫) করেন।

 

এরপর জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই অলক কুমার দে (পিপিএম) এর নেতৃত্বে ডিবি ও শার্শা থানা পুলিশের যৌথ টিম তদন্তে নামে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ঝিকরগাছা উপজেলার একটি এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আব্দুল্লাহর ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়। এ সূত্র ধরে ভ্যান বিক্রির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আশানুর জামান আশা (৩৭), মুকুল হোসেন (৩৭) ও সাগর (২৪) কে আটক করা হয়।

 

তাদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আশানুরের নিয়ন্ত্রণাধীন নির্মাণাধীন বাড়ির একটি ট্রাংক থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে মুকুলের পরিকল্পনায় ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশানুর, সাগর ও আব্দুল্লাহ ওই ভবনে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর মুকুলও সেখানে এসে উপস্থিত হন। তারা একসাথে ইয়াবা সেবনের একপর্যায়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মুকুল ধারালো ছুরি দিয়ে আব্দুল্লাহকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেন। পরে তিনজন মিলে মরদেহটি ট্রাংকের ভেতর লেপে মুড়িয়ে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যায়।

 

এ ঘটনায় শার্শা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, মামলাটি ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

 

পুলিশ আরও জানায়, আশানুর জামানের নামে ৮টি এবং সাগরের নামে ৭টি পৃথক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর ১৫ অক্টোবর তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে আশানুর জামান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “অত্যন্ত কৌশলে গুমের পর হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হলেও পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত সময়ের মধ্যেই মূল পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।”

এই ঘটনাকে ঘিরে পুরো শার্শা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।