Nabadhara
ঢাকারবিবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জেলার সংবাদ
  11. ঢাকা বিভাগ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. ধর্ম
  14. প্রধান সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আজকের দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল লড়াইয়ে শেরপুর হানাদার মুক্ত

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি 
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি 

আজ ঐতিহাসিক ১৪ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অকুতোভয় লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়। ত্রিমুখী আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা শেরপুর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেরপুরের আকাশে ওড়ে বিজয়ের নিশান।

 

মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চূড়ান্ত বিজয়ের লক্ষ্যে ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টার দিকে মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকটি দল একযোগে শেরপুর শহরে প্রবেশ করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচ্চু মিয়ার নেতৃত্বে সারিয়াকান্দি থেকে সড়কপথে দুটি দল এবং মুক্তিযোদ্ধা আকরাম হোসেন খানের নেতৃত্বে ধুনট থেকে আসা আরেকটি দল শহরের তিন দিক থেকে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের ওপর ঝটিকা আক্রমণ চালায়।

শহরের প্রবেশমুখ ঘোলাগাড়ী এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকাররা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলে মুক্তিযোদ্ধারা পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে এলাকা দখলে নেন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে কুখ্যাত রাজাকার আলী আকবর, বুলু আক্তার ও দিল মাহমুদ নিহত হন। তীব্র আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে হানাদার বাহিনীর অনেকে পিছু হটে এবং অনেকে আত্মসমর্পণ করে। এর মধ্য দিয়েই ১৪ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হয় শেরপুর।

পরদিন ১৫ ডিসেম্বর সকালে ঐতিহাসিক পার্ক মাঠে (বর্তমান টাউন ক্লাব পাবলিক লাইব্রেরি মহিলা অনার্স কলেজ চত্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত আমান উল্লাহ খান।

এর আগে ১৯৭১ সালের ২৪ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী প্রথম শেরপুরে প্রবেশ করে হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ২৫ এপ্রিল বাঘড়া কলোনি বধ্যভূমিতে ২৫-২৬ জন এবং ২৬ এপ্রিল ঘোগা ব্রিজ এলাকায় তিন শতাধিক নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করা হয়। এছাড়া মে মাসে কল্যাণী গ্রামেও শতাধিক মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে হানাদাররা।

এসব পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। শেরপুর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী, ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগের সমন্বয়ে গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী। ন্যাপ নেতা সিদ্দিক হোসেন বারীর নেতৃত্বে এবং থানার হাবিলদার আব্দুল হালিম ও দারোগা ওয়াজেদ মিয়ার তত্ত্বাবধানে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়, যা চূড়ান্ত বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছরের মতো এবারও উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে শেরপুর হানাদার মুক্ত দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। দিনটি উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।