Nabadhara
ঢাকাশনিবার , ৯ মে ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাকেরগঞ্জে কৃষি প্রকল্পের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি
মে ৯, ২০২৬ ৭:১১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা কৃষি অফিসের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রাসেল সিকদার। তার সঙ্গে যোগসাজশে রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উৎপাল চন্দ্র দাস ও মো. মঞ্জুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি স্থানীয় কৃষকদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পার্টনার প্রকল্প, চর উন্নয়ন প্রকল্প এবং তেল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ও উপকরণ প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়নি। কাগজে নাম থাকলেও বাস্তবে অনেক কৃষক কোনো সুবিধা পাননি।

কৃষকদের অভিযোগ, প্রকল্পের প্রদর্শনী, প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনার নামে সরকারি অর্থের বড় অংশই আত্মসাৎ করা হয়েছে। একই ব্যক্তি বা পরিবারের নাম একাধিকবার দেখিয়ে বরাদ্দ উত্তোলনের ঘটনাও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

স্থানীয় পর্যায়ে সরেজমিনে তথ্য যাচাইয়ে দেখা গেছে, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর, বোয়ালিয়া ও বাহাদুরপুর এলাকার একাধিক প্রকল্প বাস্তবে কার্যকর ছিল না, অথচ কাগজে সবকিছু দেখানো হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, তেল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের অন্তত ৮ থেকে ১০টি প্রদর্শনী বাস্তবায়িত হয়নি। পার্টনার প্রকল্পের কয়েকটি প্রদর্শনীতে মাত্র ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় দেখিয়ে বাকি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া বাহাদুরপুর গ্রামের একটি প্রদর্শনীতে ইমন খান ও তার পিতার নামে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেখানো হলেও সরেজমিনে কোনো কার্যক্রম পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়রা জানান।

অভিযোগের বিষয়ে মো. রাসেল সিকদার-এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কৃষকদের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ মাঠ পর্যায়ে না পৌঁছে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে লুটপাট হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।