Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ১৪ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গোয়ালন্দে অতিরিক্ত তামাক চাষে কমছে মাটির উর্বরতা, বিকল্প ফসলে ঝুঁকতে কৃষকদের আহ্বান

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
জুলাই ১৪, ২০২৬ ৩:১৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় অতিরিক্ত তামাক চাষের কারণে কৃষিজমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে এবং পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। তারা তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করে কৃষকদের লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প ফসল চাষে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের হাবিল মণ্ডলপাড়া মৃধা বাড়ির ইমামবাড়ি প্রাঙ্গণে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরণ বিষয়ে কৃষকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস। প্রধান অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, সিনিয়র কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান, স্থানীয় কৃষক, কৃষাণী, তামাক চাষি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, একই জমিতে বারবার তামাক চাষের ফলে মাটির স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের কারণে জৈব পদার্থের পরিমাণ কমে যাচ্ছে এবং পরবর্তী মৌসুমে অন্যান্য ফসলের উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কৃষকদের হাতে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) ‘সার সুপারিশ কার্ড’ বিতরণ করা হয়। এতে মাটির পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বিভিন্ন মৌসুমের ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক, বোরনসহ বিভিন্ন সারের সঠিক মাত্রা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাটির পিএইচ, জৈব পদার্থ ও পুষ্টি উপাদানের তথ্যও তুলে ধরা হয়, যাতে কৃষকরা বৈজ্ঞানিকভাবে সার ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বজায় রাখতে পারেন।

প্রধান অতিথি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “তামাক চাষ দীর্ঘমেয়াদে কৃষিজমির উর্বরতা কমিয়ে দেয় এবং কৃষি পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই কৃষকদের বিকল্প লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব ফসল চাষে এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেবে।”

ইউএনও সাথী দাস বলেন, “কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় তামাক চাষ থেকে ধীরে ধীরে সরে এসে নিরাপদ ও লাভজনক বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার বলেন, নিয়মিত মাটি পরীক্ষা করে সুপারিশ অনুযায়ী সার ব্যবহার এবং বিকল্প ফসল চাষের মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই কৃষি নিশ্চিত করা সম্ভব।

সভায় কৃষকরা তামাক চাষের বিভিন্ন দিক নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বৈজ্ঞানিক কৃষি ব্যবস্থাপনা অনুসরণের আহ্বান জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।